Monday, November 21, 2005
Chess
Chess: Playing against Shimul was a disaster for me. Before that, I had a tiny hope that there was a chance that I might beat him in the chess, at least 1 game out of 3. But when we started playing in Naveed’s birthday, he just killed me. After the 10th moved I even said I wanted to resign. But he encouraged me to continue. After 15 moves, I could smell my burned buttock. It was kind of “tutumirer basher kella” ( তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা ) against modern F-16’s bombing. He stabbed again and again to all of my moves. That day I totally lost the appetite to play another game. I don’t know how good he is (sure enough his award shows he is good, besides that point), I am terrible in chess.
Thursday, November 10, 2005
অবশেষে টালসাতে ঈদ উত্সব হল। সুসংবাদ হচ্ছে এবার ঈদ সবাই মিলে এক সাথে করতে পারা। প্রতি বছর আসলে আমরা এক সাথে ঈদ করার চেষ্টা করলেও কেমন করে দেখা যায় হয়ে উঠেনি। কয়েকজনের মন রক্ষা করা যায়নি । এবার তা হয়নি। বিশেষ করে কেউ কেউ বুঝতে পেরেছেন তাদের গত বছরের বিজয় দিবস বজর্ন কারও কিছু যায় আসেনি। দুঃখজনক হলেও সত্য, আসলে সোজা আংগুলে ঘি না উঠলে আংগুল বাঁকা কতেই হয়। কথিত ভদ্রলোক এবার তা বুঝতে পেরেছেন। এতদিন পরে তার সুবুদ্ধির জন্যে স্বাগতঃ জানাই।
আসা যাক অনুষ্ঠানের সাথর্কতার প্রসংগে। অডিটরিয়ামের সাজানো ছিল ছিমছাম এবং রুচিপূর্ণ। এবারের উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে শব্দ-ব্যবস্থা । অনুস্ঠানের মানকে অনেক অংশে বাড়িয়ে দিয়েছে এবারের ভালো শব্দ-ব্যবস্থা। তবে আলোর ভালো ঘারতি ছিল। আশা করা যায় পরবতীর্তে এ ধরনের অনুষ্ঠানে আয়োজকরা এদিকেও মনোযোগ দিবেন।
নিঃসন্দেহে বলা যায়, ক্যাটারিং ছিল বুদ্ধিমানের কাজ। এতে খরচ বেশী হলেও কাজ অনেক অংশে কমে গেছে। একার জন্যে ৫ টাকা আর পুরো পরিবারের জন্যে ২০ টাকা খুবই যুক্তিসংগত। খাবার পরিবেশন থেকে টেবিল সাজানো সুন্দর হয়েছে। তবে অনুষ্ঠান অনেক দেরীতে শুরু হওয়াতে মূল সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা খুবই ছোট করে করা হয়েছে। উপস্থাপকদের উপস্থাপনা ছিল প্রাণবন্দ। গান পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পীরা। অনুষ্ঠানের বড়দের, মহিলাদের, এবং ছোটদের সবার জন্য ছিল খেলার ব্যবস্থা; সবাই খেলাগুলোকে খুবই উপভোগ করেছেন । সাবির্কভাবে অনুষ্ঠানটি সাথর্ক হয়েছে।
এবার আশা যাক কিছু গঠনমূলক সমালোচনায়। টালসাতে এ পযর্ন্ত বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠান হল, অথচ দেখা যাচ্ছে, অনুষ্ঠানের মাঝে নতুনত্ব আসছে না। আমাদের মনে রাখা উচিত, অনুষ্ঠানে প্রীতি ভোজ অবশ্যই লোভনীয় কিন্তু এবারটিতে মনে হচ্ছিল ভোজই মূখ্য বিষয়। ঈদের কিংবা বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উচিত আরও বিনোদনের ব্যবস্থা করা এবং নতুনত্ব আনা।
অনুষ্ঠানের আহবায়করা নিসঃন্দেহে ব্যর্থ হয়েছেন প্রচারণায়। শুরু থেকেই মনে হচ্ছিল আহবায়কবৃন্দ নিজেদের গন্ডির বাইরে আসতে পারছিলেন না, অবশেষে আসলেও, অনুষ্ঠানের কাযর্ক্রম কতিপয় ব্যক্তির মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল। আর তাই আবারও গতানুগিত একঘেয়ামী একই অনুষ্ঠান। অন্যতম লজ্জার বিষয় বাংলায় লেখা আহবানটি। পাচঁ থেকে দশ লাইনের এ লেখাটিতে বাংলাদেশ থেকে শুরু করে, তারিখের মত সামান্য শব্দে বানান ভুল, যার ভেতর থেকে বোঝা যায় প্রফেশোনালিম কত অভাব। সেই সাথে অনুষ্ঠানের খরচ বন্টন। পুরো ব্যাপারটাই রহস্যজনক। পরের এক অনুষ্ঠানে প্রায় তিন ঘন্টাব্যাপী আলোচনার পরও টাকার বন্টন নিয়ে আবারও আলোচনা হবে বলে শোনা যাচ্ছে।
আশা করা যায় পরবর্তী অনুষ্ঠানে আহবায়করা সংঘবদ্ধ হবেন এবং ভোজের ব্যাপারে আগ্রহের সাথে সাথে অনুষ্ঠানের মান উন্নয়নের দিকেও মনোযোগী হবেন। যদি আহবায়করা কান্ডারী হতে চান, তার দৃষ্টান্ন তাদের রাখতে হবে যার দেখা এখন পযর্ন্ত মেলেনি।
আসা যাক অনুষ্ঠানের সাথর্কতার প্রসংগে। অডিটরিয়ামের সাজানো ছিল ছিমছাম এবং রুচিপূর্ণ। এবারের উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে শব্দ-ব্যবস্থা । অনুস্ঠানের মানকে অনেক অংশে বাড়িয়ে দিয়েছে এবারের ভালো শব্দ-ব্যবস্থা। তবে আলোর ভালো ঘারতি ছিল। আশা করা যায় পরবতীর্তে এ ধরনের অনুষ্ঠানে আয়োজকরা এদিকেও মনোযোগ দিবেন।
নিঃসন্দেহে বলা যায়, ক্যাটারিং ছিল বুদ্ধিমানের কাজ। এতে খরচ বেশী হলেও কাজ অনেক অংশে কমে গেছে। একার জন্যে ৫ টাকা আর পুরো পরিবারের জন্যে ২০ টাকা খুবই যুক্তিসংগত। খাবার পরিবেশন থেকে টেবিল সাজানো সুন্দর হয়েছে। তবে অনুষ্ঠান অনেক দেরীতে শুরু হওয়াতে মূল সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা খুবই ছোট করে করা হয়েছে। উপস্থাপকদের উপস্থাপনা ছিল প্রাণবন্দ। গান পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পীরা। অনুষ্ঠানের বড়দের, মহিলাদের, এবং ছোটদের সবার জন্য ছিল খেলার ব্যবস্থা; সবাই খেলাগুলোকে খুবই উপভোগ করেছেন । সাবির্কভাবে অনুষ্ঠানটি সাথর্ক হয়েছে।
এবার আশা যাক কিছু গঠনমূলক সমালোচনায়। টালসাতে এ পযর্ন্ত বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠান হল, অথচ দেখা যাচ্ছে, অনুষ্ঠানের মাঝে নতুনত্ব আসছে না। আমাদের মনে রাখা উচিত, অনুষ্ঠানে প্রীতি ভোজ অবশ্যই লোভনীয় কিন্তু এবারটিতে মনে হচ্ছিল ভোজই মূখ্য বিষয়। ঈদের কিংবা বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উচিত আরও বিনোদনের ব্যবস্থা করা এবং নতুনত্ব আনা।
অনুষ্ঠানের আহবায়করা নিসঃন্দেহে ব্যর্থ হয়েছেন প্রচারণায়। শুরু থেকেই মনে হচ্ছিল আহবায়কবৃন্দ নিজেদের গন্ডির বাইরে আসতে পারছিলেন না, অবশেষে আসলেও, অনুষ্ঠানের কাযর্ক্রম কতিপয় ব্যক্তির মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল। আর তাই আবারও গতানুগিত একঘেয়ামী একই অনুষ্ঠান। অন্যতম লজ্জার বিষয় বাংলায় লেখা আহবানটি। পাচঁ থেকে দশ লাইনের এ লেখাটিতে বাংলাদেশ থেকে শুরু করে, তারিখের মত সামান্য শব্দে বানান ভুল, যার ভেতর থেকে বোঝা যায় প্রফেশোনালিম কত অভাব। সেই সাথে অনুষ্ঠানের খরচ বন্টন। পুরো ব্যাপারটাই রহস্যজনক। পরের এক অনুষ্ঠানে প্রায় তিন ঘন্টাব্যাপী আলোচনার পরও টাকার বন্টন নিয়ে আবারও আলোচনা হবে বলে শোনা যাচ্ছে।
আশা করা যায় পরবর্তী অনুষ্ঠানে আহবায়করা সংঘবদ্ধ হবেন এবং ভোজের ব্যাপারে আগ্রহের সাথে সাথে অনুষ্ঠানের মান উন্নয়নের দিকেও মনোযোগী হবেন। যদি আহবায়করা কান্ডারী হতে চান, তার দৃষ্টান্ন তাদের রাখতে হবে যার দেখা এখন পযর্ন্ত মেলেনি।
Subscribe to:
Posts (Atom)